ই-টিন (e-TIN)
সাধারণত ই-টিন (e-TIN) দুই ধরনের হয়ে থাকে—ব্যক্তিগত ই-টিন এবং প্রতিষ্ঠান/কোম্পানির ই-টিন। ব্যক্তিগত ই-টিন একজন ব্যক্তির নিজ নামে এবং প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির ই-টিন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে করা হয়।
জয়েন্ট স্টক (RJSC) নিবন্ধিত কোম্পানি, ফার্ম, সংঘ, ট্রাস্টসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী ই-টিনের প্রয়োজন হতে পারে। ই-টিন করতে যে সকল ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয় ।
ব্যাক্তি ই-টিনঃ
১. এন.আই.ডি 2.মোবাইল নাম্বার ( বায়োমেট্রিক) ৩.ইমেইল ৪. পিতা মাতার নাম ইংলিশে ৫.বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা ইংলিশে
কোম্পানীর ই-টিন
১.এন.আই.ডি ২. মোবাইল নাম্বার ৩. ইমেইল ৪. ইনকর্পোরেশন সার্টিফিকেট ৫. বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা ইংলিশে ৬. ব্যবসায়ের ধরন
ফার্মের ই-টিন
১. এন.আই.ডি ২. মোবাইল নাম্বার ৩. ইনকর্পোরেশন সার্টিফিকেট ( যদি থাকে ) ৪. বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা ইংলিশে ৫. ব্যবসায়ের ধরন ৬. ট্রেড লাইসেন্স ৭. ভাড়া ডিড ৮. অথরাইজেশন লেটার ৮. পার্টনারশিপ ডিড
নোটঃ ফার্মের ই-টিন করতে মিনিমাম ৫ কর্ম দিবস প্রয়োজন হয় কেননা , টিকেট অনুসারে সার্কেলে গিয়ে উপরের তথ্য গুলো জমা দিতে হয়
আপনার সমস্যা নিয়ে একজন লিগ্যাল এক্সপার্ট এর সাথে কথা বলতে চান? আমরা প্রস্তুত।
এখনি যোগাযোগ করুন